বিভিন্ন রোগীদের প্রয়োজনীয় ম্যনুচার্ট এবং ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকা

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে আমরা বিভিন্ন রোগ ব্যধির সম্মুখীন হই। যা আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনে প্রভাব ফেলে এবং অনেক সময় জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। বিভিন্ন রকম ঔষধ সেবনের পরও অনেক সময় আমরা সেই সমস্ত ব্যধি থেকে নিস্তার পাইনা। তবে মজার ব্যপার হল, কিছু লাইফ স্টাইল এবং খাবারের পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা সেই রোগ বা ব্যধি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকা
আসুন জেনে নেই ডায়াবেটিস, আমাশয়, হিমোগ্লোবিন, জন্ডিস এবং হার্ট এর সমস্যা প্রতিকারে প্রয়োজনীয় এবং কিছু নিসিদ্ধ খাবারের তালিকা।

ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকা

আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে আপনার জন্য দুঃসংবাদ হল, আপনার খাদ্য তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিতে হবে। আবার কিছু খাবার একেবারেই বাদ না দিয়ে পরিমিত পরিমানে গ্রহন করলে সমস্যা হয় না। কি সেই সব খাবার? চলুন জেনে নেই।

সাদা ভাত
সাদা ভাতে প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইড্রেট থাকে। আপনি যদি বেশি পরিমানে ভাত খান তাহলে আপনার ওজন বেড়ে যাবে এবং এতে টাইপ -২ এর ঝুঁকি বাড়ে। আবার, ভাতে শর্করা থাকে যা অতিরিক্ত পরিমানে গ্রহন করলে রক্তে শর্করার পরিমান বেড়ে যায়।

তবে, আপনি দিনেরবেলায় অল্প পরিমাণে ভাত খেতে পারেন এবং রাতে পুরোপুরি ভাত খাওয়া বাদ দিবেন। অন্যদিকে, সাদা ভাতের বিকল্প হিসেবে আছে ব্রাউন রাইস। যা ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারে। কারন, এতে আছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

চিনি
চিনি এমন একটি উপাদান যা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়ায় এবং ডায়াবেটিকের মাত্রা বাড়ায়। চিনিতে আছে নিম্ন মাত্রার কার্বোহাইড্রেট এবং এর নিউট্রিশনাল ভ্যালু নেই বললেই চলে। বরং এটি ওজন বাড়াতে সাহায্য করে এবং হার্টের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই অনেকে সাদা চিনিকে ''হোয়াইট পয়জন'' বলে থাকে। তাই, চিনি এবং চিনি জাতীয় খাবার পুরোপুরি পরিহার করতে হবে।

ড্রাই ফ্রুট
ড্রাই ফ্রুট বা শুকনো ফল আমাদের ক্ষুধা মেটানোর একটি সহজ উপায়। এতে ভালো পরিমানে ফাইভার থাকে। দুর্ভাগ্যবশত, এই শুকনো ফলে প্রচুর চিনি দিয়ে লোড করা হয়। যেমন, একটি ৪৩ গ্রাম কিশমিশের বাক্সে ২৫ গ্রাম চিনি থাকে। আবার, ৫০ গ্রাম খেজুরে ২৫ গ্রাম চিনি থাকে। তাই এটি এড়িয়ে চলুন।

লাল মাংস
মাংসে প্রচুর পরিমানে ফ্যাট বা চর্বি থাকে। যেমন, গরুর মাংস বা শুয়োরের মাংসের পাঁজর, প্রাইম রিব, রিব-আই স্টেক এবং বিফ ব্রিসকেট। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ চর্বিযুক্ত মাংস - বিশেষ করে লাল মাংস - হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। এর বদলে আপনি চিকেন বা টার্কির ব্রেস্ট খেতে পারেন।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই সাধারণত তেলে ভাজা হয় বলে এতে অস্বাস্থ্যকর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, এতে চর্বি এবং ক্যালোরি খুব বেশি থাকে। আপনি যদি নিয়মিত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খান তবে এটি বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে । যেমন- হৃদরোগ এবং স্থূলতা। ফ্রেঞ্চ ফ্রাইতে প্রচুর লবণ থাকতে পারে, যা রক্তচাপের মাত্রা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

আমাশয় রোগীর খাবার তালিকা

আমাশয় এক ধরনের পেটের পীড়া। এ থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের কে কিছু নির্দিষ্ট খাবার খেতে হবে। এখানে আমারা আমাশয় রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য তালিকা তৈরি করেছি। আসুন দেখি সেগুলো কি কি।

কলা
কলা একটি উচ্চ পটাসিয়াম সমৃদ্ধ ফল। তাই এটি আমাশয় রোগীদের জন্য খুব ভালো একটি ফল। অন্যদিকে, সবুজ কলাতে আছে অ্যামাইলেজ-প্রতিরোধী স্টার্চ থাকে, যা হজম হতে বেশি সময় নেয়। এটি অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বাড়ায় এবং হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
সাদা ভাত
চালে দ্রবণীয় ফাইবার যা আমাশয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এজন্য আমাশয় রোগীদের ভাত খেতে বলা হয়। প্রাচীনকালে আমাশয় রোগীকে ভাতের পানি খেতে দেওয়া হত। বলা হত , ভাতের পানি এই রোগীদের রোগ নিরাময়ের খুব ভাল পদ্ধতি।

রুটি
আমাশয়ের ক্ষেত্রে রুটি খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। কারন এতেও আছে দ্রবণীয় ফাইবার। রুটিও এই রোগীদের জন্য ভাতের মতই উপকারি খাবার।
দই

দই আমাশয় রোগীদের জন্য একটি মহা ঔষধ। দইয়ে আছে প্রোবায়োটিক ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া। যা পেটের জন্য খুব ভাল একটি উপাদান। এর সাহায্যে আমাশয় সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করা যায়।

কর্ন ফ্লেক্স
কর্ণ ফ্লেক্সে বা ভুট্টায় আছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার। এবং আমরা আগেই বলেছি ফাইবার পেটের পিড়ার জন্য সহায়ক। তাই, আমাশয় নিরাময়ের জন্য কর্ন ফ্লেক্স খাওয়া যেতে পারে।

হিমোগ্লোবিন বাড়ে কোন খাবারে

রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে দেখা দেয় বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। যেমন- দুর্বলতা, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরানো, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে আসা, হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার ইত্যাদি দেখা দেয়। তাই হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ানোর জন্য আমাদের ওষুধ খাবার পাশাপাশি নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা অনুসরন করে খেতে হবে। বিভিন্ন পুষ্টিবিদের মতে, আয়রন, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি-12 সমৃদ্ধ খাবার, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

প্রাণিজ খাদ্য
প্রানিজ খাদ্য থেকে আমরা শরীরে হিমোগ্লোবিন তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদান পেয়ে থাকি। পশুর মাংস, মাছ, মুরগি, ডিম, মটরশুটি, এবং মসুর ডাল প্রানিজ খাদ্য। সুতরাং এই খাবারগুলো আপনার প্রতিদিনের ডায়াট চার্টে রাখার চেষ্টা করবেন।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার
আয়রন শরীরে শোষিত হতে পারে না, তাই এটিকে ভালভাবে শোষণ করতে সাহায্য করার জন্য একটি মাধ্যম প্রয়োজন। ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করে। কমলা, লেবু, বেল মরিচ, টমেটো, জাম্বুরা, ইত্যাদি ফলে প্রচুর ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। তাই আপনার রক্তে যদি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যায়, এই ফল গুলো খাওয়া শুরু করুন।

ডালিম
ডালিম প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবার, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনে ভরপুর একটি সমৃদ্ধ ফল। হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর জন্য ্ডালিম একটি অন্যতম সেরা খাবার। আপনার হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ডালিমের রস পান করুন।

খেজুর
খেজুর একটি পুষ্টিকর এবং তীব্র মিষ্টি শুকনো ফল। যা মানবদেহে প্রচুর শক্তি যোগায়। আবার, খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। যাইহোক, আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে উচ্চ চিনির উপাদানের কারণে খেজুর খাওয়া এড়াতে হবে।

কুমড়ো বীজ
কুমড়োর বীজে আছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজ। সেই সাথে আছে প্রায় আট মিলিগ্রাম আয়রন। আপনি এগুলো সালাদের উপরে দিয়ে বা স্মুদিতে ছিটিয়ে দিয়ে খেতে পারেন।

তরমুজ
শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে তরমুজ একটি আদর্শ ফল। এতে আছে আয়রন এবং ভিটামিন সি, যা নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট পরিমানে গ্রহণ করে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে।

হার্টের জন্য ক্ষতিকর খাবার

আমাদের হার্ট ভালো রাখার জন্য নিচের এই ক্ষতিকর খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন।

চিনি, লবণ, চর্বি
আমরা যদি প্রতিদিন উচ্চ পরিমাণে লবণ, চিনি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার গ্রহন করি, তাহলে এই খাবারগুলো আমাদের হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াবে। তাই, আপনি যদি আপনার হার্ট ভালো রাখতে চান, চিনি লবন এবং চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে হবে। এর পরিবর্তে, স্বাস্থ্যকর ফল এবং শাকসবজি, পুরো শস্য, চর্বিহীন প্রোটিন এবং কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার গ্রহন করতে পারেন।

লাল মাংস
অধিক পরিমানে গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস এবং শুয়োরের মাংস খাওয়া আপনার হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে। এই ধরনের মাংসে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা শরীরে কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে।

সোডা
এক ক্যান সোডায় অনেক বেশি পরিমানে চিনি যুক্ত করা হয়। তাই, সোডা পানকারীদের ওজন খুব তাড়াতাড়ি বেড়ে যায় এবং মোটা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সোডা বা মদ্যপায়ীদের টাইপ 2 ডায়াবেটিস, এবং উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি থাকে।

বেকিং আইটেম
কুকিজ, কেক, এবং মাফিন জাতীয় খাবারগুলোতে চিনির পরিমান বেশি থাকে। তাই এগুলো আমাদের শরীরের ওজন দ্রুত বাড়িয়ে তুলে। এমনকি, এ জাতীয় খাবারে উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড মাত্রাও বেশি থাকে যা হৃদরোগের কারণ হতে পারে। এ খাবারগুলো সাদা ময়দা দিয়ে তৈরি, যা আপনার রক্তে শর্করাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং আপনাকে খুব ঘন ঘন ক্ষুধার্ত করে তুলতে পারে। তাই আপনি যদি আপনার হার্টকে ভালো রাখতে চান, এই খাবারগুলো একদম কম পরিমানে খাবেন।

সাদা ভাত, রুটি এবং পাস্তা
ভাত, রুটি এবং পাস্তা, এই খাবার গুলোতে স্বাস্থ্যকর ফাইবার, ভিটামিন এবং মিনারেলের অভাব রয়েছে। আবার, পরিশোধিত শস্য দ্রুত চিনিতে রূপান্তরিত হয়, যা আপনার শরীর চর্বি হিসাবে যোগ হয়। যা অধিক পরিমানে গ্রহন করলে, হৃদরোগ এবং টাইপ 2 ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এই খাবার গুলোর পরিবর্তে আপনি ব্রাউন রাইস, ওটস এবং গমের আটা দিয়ে তৈরি খাবার খেতে পারেন।

জন্ডিস রোগীর খাবার তালিকা

দীর্ঘ দিন জন্ডিস আক্রান্ত থাকলে, রোগীর লিভার এবং কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে। অনিয়মিত খাবার জন্ডিস প্রতিরোধে বাঁধা দেয়। তাই এখানে জন্ডিস রোগীর উপকারি কিছু খাবার তালিকা দেয়া হল।

পানি
জন্ডিস থেকে মুক্তি পেতে আপনার শরীরকে সবসময় হাইড্রেটেড রাখতে হবে। তাছাড়া পর্যাপ্ত পরিমান পানি পানে জন্ডিস থেকে লিভারকে পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। পানি আমাদের খাবার হজমে সাহায্য করে। আবার, লিভার এবং কিডনি থেকে বিষাক্ত পদার্থ মল্মুত্রের সাহায্যে বের করে দেয়। পানিতে এক চা চামচ লেবুর রস বা আঙ্গুরের রস যোগ করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমান বাড়ানো যেতে পারে।


তাজা ফল এবং সবজি
তাজা ফল এবং শাকসবজিতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার। যা হজমে সহায়তা করে। আবার, তাজা ফল এবং শাকসবজি লিভার-বান্ধব পুষ্টি ধারণ করে। উজ্জ্বল রঙের ফল যেমন: ব্লুবেরি এবং আঙ্গুর, সাইট্রাস ফল যেমন- লেবু, চুন এবং জাম্বুরা, পেঁপে এবং তরমুজ, ব্রকলি, ফুলকপি
আদা এবং রসুন জন্ডিস রোগীর জন্য অনেক উপকারি ফল এবং সবজি।

গোটা শস্যদানা
গোটা শস্যে ডায়েটারি ফাইবার এবং ফেনোলিক অ্যাসিড রয়েছে। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পরিমিত পরিমানে আস্ত বা গোটা শস্য খেলে তাদের লিভার ক্ষতি গ্রস্থ হবার সম্ভাবনা কমে যায়। গম,কুইনোয়া, বাদামী ভাত, ওটস এগুলো হল গোটা শস্য। কিছু গবেষকরা রিপোর্ট করেছেন যে, যারা বেশি পরিমাণে গোটা শস্য খায়, তাদের লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে।

স্বাস্থ্যকর চর্বি
Polyunsaturated এবং monounsaturated ফ্যাট হল "স্বাস্থ্যকর চর্বি" যা কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। বাদাম তেমনই একটি খাদ্য উপাদান যাতে এই উভয় ধরনের স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে। এছাড়া বাদাম ভিটামিন-ই ফেনোলিক অ্যাসিড সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবারে সমৃদ্ধ।

আবার, তৈলাক্ত মাছ যেমন-স্যামন এবং ম্যাকজেমন মাছে প্রচুর ওমেগা -3 এবং জিঙ্ক রয়েছে। তাই এই ধরনের মাছ লিভারকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

চর্বিহীন প্রোটিন
জন্ডিসে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য টার্কি মুরগি, শিম এবং চর্বিহীন মাছ খুব উপকারি খাবার। আমেরিকান লিভার ফাউন্ডেশন উচ্চ চর্বি জাতীয় খাবার বাদ দিয়ে এই ধরনের চর্বিহীন খাবার গুলো খাবার নির্দেশ দিয়ে থাকে।


পরিশেষে বলা যায়, সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের কে সঠিক খাদ্যাভাস গড়ে তুলতে হবে। মনে রাখবেন, স্বল্প বা পরিমিত পরিমানে কোন খাবার খেলে তা আমাদের শরীরে অন্তত ভায়াবহ কোন রোগের কারন হবে না।

তবে, আপনার শরীরে যখন কোন রোগ সনাক্ত করা হবে, তখন অবশ্যই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার গ্রহন করাই বুদ্ধিমানের কাজ। তাই, আমরা খাবার জন্য বাঁচবো না বরং বাঁচার জন্য খাবো, এই নীতিতে বিশ্বাসী হতে হবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন